ফুটবলের শহর বলতেই কলকাতা। তাই কলকাতা ফুটবল লিগ বলতেই আবেগ আর ভালবাসা। এই কলকাতা ফুটবলকে অন্য রূপ দিয়েছে দুই প্রধান মোহনবাগান ও ইস্ট বেঙ্গল। দুই প্রধান ভারতীয় ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। সবুজ মেরুন আর লাল হলুদ রঙের ঐশ্বর্য্য সব কিছুকে ছাপিয়ে যায়। দুই ক্লাবের ফুটবলাররা গর্ব অনুভব করেন মাঠে নেমে। এশিয় মহাদেশে এই দুই ক্লাবের সমর্থকদের নিয়ে ফুটবলপ্রেমীরা গর্ব অনুভব করেন। সারা দেশে ছড়িয়ে আছেন সমর্থকরা। তারপরে ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হলে আর কোনও কথা নেই। উন্মাদনার পারদ কোথায় গিয়ে আঁছড়ে পড়বে কেউই জানতে পারবেন না। সারা গ্যালারি উন্মাদনায় মুখর হয়ে উঠবে। সারা বাংলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে শুধুই কথা বলবে মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গল। ডার্বি ম্যাচ বলতেই আবেগের ছড়াছড়ি ও উৎসাহের জোয়ার। স্বদেশী ফুটবলারদের দাপট। ফুটবলের রণক্ষেত্রে কাউকেই ছাড়া নেই। কে কাকে টেক্কা দেবে তা নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত লড়াই মাঠকে কাঁপিয়ে রাখে। কখনও সবুজ মেরুন সমর্থকরা আবার কখনও লাল হলুদ সমর্থকরা গগনভেদী চিৎকার করেন। ফুটবলাররা আরও বেশি অনুপ্রাণিত হয়ে খেলার চরিত্র বদলে দেন। সবাই ছুটে আসেন তাদের প্রিয় দলের জয় দেখতে। জয় পেলেই সমর্থকদের মুখে হাসির ফুলঝুরি দেখতে পাওয়া যায়। ডার্বি ম্যাচকে আরও উজ্জীবিত করে তোলেন দুই দলের কোচ। কোচের কৌশল আর ছককে সার্থক রূপ দেওয়ার জন্যে ফুটবলাররা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। তাই ফুটবল কলকাতার প্রাণ।
এবারের ডার্বি ম্যাচ অন্য ভাবে প্রকাশ পেতে চলেছে। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শতবর্ষ ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস আর ইস্টবেঙ্গল। সেই পুরোনো ছবি আবার দেখতে পাওয়া যাবে। টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। দুই ক্লাবের অনুশীলনে সমর্থকদের ভিড় দেখা যাবে।
সব ফুটবলাররা মুখিয়ে রয়েছেন লড়াই করবার জন্যে।
কলকাতা ফুটবল লিগের প্রথম ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গল সম্মুখ সমরের নেমেছিল। টান টান ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল জয়ের হাসি হেসেছিল। মোহনবাগান হার স্বীকার করে ০-১ গোলের ব্যবধানে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন নেপাল চক্রবর্তী। সেদিনের কথা মনে করে এবারের ডার্বি ম্যাচে ফুটবলার নেপাল চক্রবর্তীর পরিবারের আপনজনদের মাঠে থাকবার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আই এফ এ সচিব অনির্বাণ দত্ত। তিনি বলেছেন,ডার্বি ম্যাচে আবার উন্মাদনা ফিরে এসেছে এটা কলকাতা ফুটবল লিগে ভালো বার্তা।
Powered by Froala Editor
